উচ্চশিক্ষার সনদের স্বীকৃতি বিষয়ক ইউনেস্কোর দুটি কনভেনশনে মালদ্বীপের যোগদানের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। 2 নভেম্বর 2026 প্রেসিডেন্টের কার্যালয় এ কথা জানায়।

কনভেনশন দুটি হলো উচ্চশিক্ষায় যোগ্যতার স্বীকৃতি বিষয়ক এশিয়া-প্যাসিফিক আঞ্চলিক কনভেনশন (টোকিও কনভেনশন) এবং উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত যোগ্যতার স্বীকৃতির বৈশ্বিক কনভেনশন।

শিক্ষা, উচ্চশিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের একটি প্রস্তাবের ওপর 1 নভেম্বর রোববারের মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়। সংবিধানের 93(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য সংসদে পাঠাবেন।

মূল্যায়নে যা পাওয়া গেছে

দুই কনভেনশনে যোগ দিলে কী সুবিধা ও প্রভাব হবে, তা যাচাই করতে ইউনেস্কো একটি জাতীয় মূল্যায়ন করেছে। ইউনেস্কো ও মালদ্বীপ কোয়ালিফিকেশনস অথরিটি (এমকিউএ) যৌথভাবে একটি মিশন চালিয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ফোকাস গ্রুপ আলোচনা করেছে।

মূল্যায়নে দেখা গেছে, যোগ দিলে মালদ্বীপের উচ্চশিক্ষা খাত আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে মিলবে এবং বিদেশি শিক্ষার্থী ও শিক্ষাবিদদের দেশে আসা সহজ হবে। মালদ্বীপের শিক্ষার্থীরাও বিদেশে পড়ে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সনদ নিয়ে দেশে ফিরতে পারবেন।

সহজ ভাষায় এর অর্থ কী

  • বিদেশে পড়া মালদ্বীপের শিক্ষার্থী ও স্নাতক: ইউনেস্কো বলছে, যোগ দেওয়া দেশগুলো স্বচ্ছ ও বৈষম্যহীন নিয়মে উচ্চশিক্ষার সনদ ন্যায্যভাবে স্বীকৃতি দিতে অঙ্গীকার করে। তাই অন্য সদস্য দেশে পাওয়া ডিগ্রি দেশে ফিরে চাকরি বা উচ্চতর পড়াশোনার জন্য স্বীকৃতি পাওয়া সহজ হওয়ার কথা।

  • মালদ্বীপে বিদেশি কর্মীদের ডিগ্রি: বিদেশি কর্মী ও আসা শিক্ষার্থীদের সনদেও একই ন্যায্য স্বীকৃতির নিয়ম প্রযোজ্য হবে। তবে এমকিউএ কীভাবে তা প্রয়োগ করবে, বা বিদেশি সনদ যাচাইয়ের বর্তমান ব্যবস্থা বদলাবে কি না, প্রেসিডেন্টের কার্যালয় তা জানায়নি।

সংসদ প্রস্তাব অনুমোদন করার পরই যোগদান কার্যকর হবে।